ই-অগ্রণী দর্পণ

অগ্রণী ব্যাংকের নিজস্ব প্রকাশনা

শোকের মাসের শেষ দিনে জুম ওয়েবিনার -এ বঙ্গবন্ধুর ওপর অগ্রণীর সর্ববৃহৎ ভার্চুয়াল আলোচনা এবং শ্রদ্ধাঞ্জলি

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৫ তম শাহাদাত বার্ষিকী ও জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষ্যে মাসব্যাপী শোক দিবস পালনের অংশ হিসেবে ৩১ আগস্ট ২০২০ তারিখ সন্ধ্যা ৭.৩০টায় জুম ওয়েবিনার এর মাধ্যমে অগ্রণীর সর্ববৃহৎ ভার্চুয়াল সভা অনুষ্ঠিত হয়। আলোচ্য বিষয় ছিল ‘অর্থনীতিতে বঙ্গবন্ধুর অবিস্মরণীয় অবদান’। প্রায় ২,০০০ অগ্রণীয়ানের অংশগ্রহণে সভার প্রধান অতিথি ছিলেন অর্থমন্ত্রণালয়ের আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের সিনিয়র সচিব আসাদুল ইসলাম, মুখ্য আলোচক ছিলেন বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদ ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদের চেয়ারম্যান ড. জায়েদ বখ্‌ত, বিশেষ আলোচক ছিলেন পরিচালকবৃন্দ মাহমুদা বেগম, কাশেম হুমায়ূন, ড. মো. ফরজ আলি, কে.এম.এন মঞ্জুরুল হক লাবলু, খন্দকার ফজলে রশীদ এবং বাংলাদেশ ব্যাংকের ইডি লীলা রশীদ। স্বাগত ভাষণ দেন ব্যবস্থাপনা পরিচালক এবং সিইও মোহম্মদ শামস্-উল ইসলাম। উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. আনিসুর রহমানের সভাপত্বিতে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. রফিকুল ইসলাম । আলোচনা করেন অগ্রণী ব্যাংক জিএম’স ক্লাব এর সভাপতি আব্দুস সালাম মোল্যা, এক্সিকিউটিভ ফোরামের সাধারণ সম্পাদক এম, এ মজিদ তালুকদার, অফিসার সমিতির সাধারণ সম্পাদক মোবারক হোসেন, সিবিএর সভাপতি খন্দকার নজরুল ইসলাম, মুক্তিযোদ্ধা সংসদ সন্তান কমান্ডের আহবায়ক মামুুনুর রশীদ।

এ রকম ওয়েবিনার এর উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে সিনিয়র সচিব আসাদুল ইসলাম অগ্রণী ব্যাংকের ভূয়সী প্রশংসা করেন এবং তিনি বিশ্বের বিভিন্ন বড় বড় প্রতিষ্ঠানের ইতিহাস লেখার উদাহরণ দিয়ে বঙ্গবন্ধু কর্তৃক প্রদত্ত নাম অগ্রণী ব্যাংক এর ইতিহাস লেখার প্রয়োজনীয়তার কথা উল্লেখ করেন। তিনি বলেন জাতির পিতা বলেছেন, ‘আমাদের দাবায়ে রাখতে পারবা না’ কথার মধ্য দিয়ে তিনি আমাদের চিন্তার স্বাধীনতা ও অর্থনৈতিক মুক্তির কথা বলে দিয়েছেন। মুখ্য আলোচক ড. জায়েদ বখ্‌ত উল্লেখ করেন, বঙ্গবন্ধু কোন প্রথাগত বা একাডেমিক অর্থনীতিবিদ ছিলেন না । কিন্তু তাঁর কর্ম ও চিন্তা দিয়ে তিনি মানুষের অর্থনৈতিক মুক্তির কথা বলেছেন। তাঁর কন্যা শেখ হাসিনাও বিভিন্ন কর্মসূচীর মাধ্যমে মানুষের জীবন মান উন্নয়নে নিরলস পরিশ্রম করে যাচ্ছেন। পরিচালকবৃন্দ মাহমুদা বেগম, কাশেম হমায়ূন, ড. মো. ফরজ আলি, কে.এম.এন মঞ্জুরুল হক লাবলু, খন্দকার ফজলে রশীদ এবং বাংলাদেশ ব্যাংকের ইডি লীলা রশীদ প্রত্যেকেই তাঁদের বক্তব্যে বঙ্গবন্ধুর অর্থনৈতিক দর্শন, অর্থনৈতিক মুক্তির ছয় দফা এবং ব্যাংক রাষ্ট্রীয়করণে তাঁর অবিস্মরণীয় অবদানের কথা উল্লেখ করেন। ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিইও তাঁর বক্তব্যে বলেন, ‘জাতির পিতা এ ব্যাংকের নামকরণ করেছেন অগ্রণী যার অর্থ হলো আমাদেরকে সবার অগ্রে থাকতে হবে।’ ব্যাংককে অগ্রে রাখার জন্যে ১৩,০০০ কর্মকর্তা, কর্মচারীর নিরলস পরিশ্রমকে সাধুবাদ জানিয়ে তিনি আরো বলেন ‘আমানত সংগ্রহ, রেমিট্যান্সে প্রবৃদ্ধি, এনপিএল কমানো সহ বিভিন্ন সূচকে আমরা এগিয়ে আছি। এছাড়াও, কর্পোরেট লেভেলে বঙ্গবন্ধু কর্নার স্থাপন, অগ্রণীর সদস্যদের মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিকথা লিখে বঙ্গবন্ধু, বাংলাদেশ এবং মহান মুক্তিযুদ্ধের প্রতি অগ্রণী ব্যাংক সম্মান জানিয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন। উক্ত ওয়েবিনারে মুজিব শতবর্ষের ধারাবাহিক কর্মসূচীর অংশ হিসেবে স্পেশাল স্টাডি সেল (পিআরডি) এর মাধ্যমে প্রকাশিত ‘জনমে জনমে মুজিব’ স্মরণিকার দ্বিতীয় সংখ্যার মোড়ক উম্মোচন করা হয়। উল্লেখ্য, ‘জনমে জনমে মুজিব’ প্রকাশনাটির প্রধান উপদেষ্টা ব্যবস্থাপনা পরিচালক এবং সিইও, উপদেষ্টা উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালকদ্বয় সার্বিক তত্ত্বাবধানে মহাব্যবস্থাপকবৃন্দ, প্রধান সম্পাদক শেখর চন্দ্র বিশ্বাস এবং সম্পাদনা করেছেন লেখক, গবেষক আল আমিন বিন হাসিম।

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

কপিরাইট © অগ্রণী ব্যাংক লিমিটেড কর্তৃক সংরক্ষিত | Newsphere by AF themes.